http://www.gonokontho.blogpost.com

http://www.gonokontho.blogpost.com
http://www.gonokontho.blogpost.com

কুড়িয়ে পাওয়া বোমায় নিহত এক আহত দুই

বৃহস্পতিবার দুপুরে কেশবপুরের বাউশলা গ্রামে কুড়িয়ে পাওয়া শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণে আব্দুর রহমান নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। বাড়ি পাশে মাঠে নিজেদের স্যালো মেশিন ঘরে ফেলানো শক্তিশালি বোমা বাড়ি নিয়ে খোলার সময় বিকট শব্দে সেটি বিস্ফোরিত হলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।

এসময় শিশুর মা নিলুফার ইয়াসমি (২৭) ও বোন মারুফা (৫) মারাত্নকভাবে আহত হয়েছে। আহত মা ও মেয়েকে প্রথমে কেশবপুর অতপর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে নিলুফার ইয়াসমিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হোসেনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মিজানূর রহমান একজন অসুস্থ্য ব্যক্তি। তিনি কোন কাজ করতে পারেন না। বৃহস্পতিবার সকালে নিকট আত্নীয় শের আলীকে তার মাঠে থাকা স্যালো মেশিনটি ধান ঝাড়া জন্য দেন। শের আলী, শের আলীর ছেলে ও নিহত শিশু আব্দুর রহমান মাঠ থেকে মেশিনটি আনতে যায়। এ সময় তারা মেশিনের উপর একটি কৌটা পলিথিন ব্যাগে মোড়ানো দেখতে পেয়ে সেটি সেখানে রেখে মেশিন নিয়ে শের আলীর বাড়ি যায়।

মেশিন চালু না হওয়ায় শের আলী মিজানুরের কাছে চাবি আনতে যায়। এরপর চাবি খোজার জন্য নিহত আব্দুর রহমান আবার মেশিন ঘরে গিয়ে চাবি না পেয়ে ফেলে রাখা কৌটাটা নিয়ে শের আলীর বাড়িতে যায়। সেখানে চাবি খোজার জন্য আব্দুর রহমানের মা নিলুফার ইয়াসমি  গিয়ে কৌটার ভেতরে চাবি আছে কিনা তা দেখার চেষ্টা করলে শক্তিশালী বোমাটি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। সাথে সাথে আব্দুর রহমান মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

প্রতিবেশীরা জানায়, বোমার বিস্ফোরণ এতোই বিকট ছিল যে, এলাকার মাটি কেপে উঠে। গ্রামবাসি প্রথমে অনুমান করে বিদ্যুতের ট্রাস্ফরমার বিস্ফোরিত হয়েছে। শব্দ শুনে এলাকাবাসি এসে নিলুফার ইয়াসমি ও মারুফাকে কেশবপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

থানার ওসি জসীম উদ্দিন জানান, মিজানূর রহমানেরে টংঘরের নিকটেই ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হোসেনের মেশিনের টংঘর। সে মাদক মামলার আসামী। ফারুক হোসেন সেখানে বোমা রাখতে পারে। সে সন্দেহে ফারুক হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আব্দুর রহমানের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে সেখানে ওই বোমাটি কিভাবে এলো পুলিশ তার কোন হদিস পাইনি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছি।



from gonopress.com https://bit.ly/2RFIqpB
via IFTTT

No comments

Powered by Blogger.