http://www.gonokontho.blogpost.com

http://www.gonokontho.blogpost.com
http://www.gonokontho.blogpost.com

কেশবপুরে পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে স্ত্রীর উপর নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষক বরখাস্ত




নিজস্ব সংবাদদাতা, কেশবপুর, ১০ জুলাই।
কেশবপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের কম্পিউটার পরিদর্শক ফারুক হোসেন জাকারিয়াকে বরখাস্ত করা হয়েছে। পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে নিজ স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে বিদ্যালয় থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য এ ঘটনায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 
২০০৪ সালে উপজেলার ভালুকঘর গ্রামের আব্দুল করিম গাজীর ছেলে ও কেশবপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের কম্পিউটার পরিদর্শক ফারুক হোসেন জাকারিয়ার সাথে বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল হামিদের মেয়ে রুবিনা পারভিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর সে স্ত্রী রুবিনার বোন হাসনা হেনার সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। পরকীয়ার কারনে স্ত্রীকে জাকারিয়া প্রায় নির্যাতন করতে থাকে। এক পর্যায় সে শালিকাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সাতক্ষীরা শহরের বিনেরপোতা ঋৃষি পাড়া বিমল সরকারের ভাড়া বাড়ি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। এরপর জাকারিয়া তার স্ত্রী রুবিনা পারভিনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ৪ জুলাই মেয়ের পিতা অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল হামিদ কেশবপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি এক সভা করে কম্পিউটার পরিদর্শক ফারুক হোসেন জাকারিয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।
এ ব্যাপারে কেশবপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান বলেন, নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগে ফারুক হোসেন জাকারিয়াকে তার পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এবিষয়ে জাকারিয়া হোসেন ফারুক বলেছেন, আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের একাধিক অভিভাবকরা কম্পিউটার প্রদর্শক ফারুক হোসেন জাকারিয়ার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনায় স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য জুলফিকার আলী, প্রদীপ সাহা এবং শিক্ষক প্রতিনিধি লিপি দে’ কে নিয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে।

কবির হোসেন
কেশবপুর
০১৭১১-২৫০৩৫৬।

No comments

Powered by Blogger.